Jaafar Jackson as a younger Michael Jackson in Lionsgate's biopic of the late King of Pop. Glen Wilson/Lionsgate

মাইকেল!

মাইকেল জ্যাকসনের সিনেমাটি নিয়ে আমি দারুণ আশাবাদী!


মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিকে তার নিজের ভাতিজাকেই তার চরিত্রে অভিনয়ের জন্য বেছে নেওয়াটা ছিল একটি মাস্টারস্ট্রোক। আমার বিশ্বাস, এমজে (MJ) নিজে বেঁচে থাকলে তার চরিত্রে নিজের রক্ত সম্পর্কীয় কাউকে দেখে খুব গর্ববোধ করতেন। মাইকেল জ্যাকসন সংগীত আর পারফরম্যান্সের সংজ্ঞাই বদলে দিয়েছিলেন। ইন্টারনেট বা সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়াই তিনি যে উচ্চতায় পৌঁছেছিলেন, তা আজও অস্পর্শ্য। এমজে একজনই ছিলেন, আর একজনই থাকবেন; তার সাথে অন্য কারো তুলনা চলে না।

মাইকেল জ্যাকসনের ১৯৮২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘থ্রিলার’ (Thriller) অ্যালবামটি আজও সর্বকালের সবচেয়ে বেশি বিক্রীত অ্যালবামের রেকর্ড ধরে রেখেছে। এই সিনেমায় প্রাপ্তবয়স্ক মাইকেলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তাঁরই আপন ভাতিজা জাফর জ্যাকসন, যিনি জারমেইন জ্যাকসনের ছেলে।



মাইকেল জ্যাকসনের জীবন নিয়ে নির্মিত সিনেমা “মাইকেল” এই সপ্তাহেই বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, প্রথম উইকেন্ডেই যুক্তরাষ্ট্রে এটি প্রায় ৬৫ থেকে ৭০ মিলিয়ন ডলার আয় করবে। যদি এই পূর্বাভাস সত্যি হয়, তবে মুদ্রাস্ফীতির হিসেব ছাড়াই এটি হবে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কোনো মিউজিক্যাল বায়োপিকের (জীবননির্ভর চলচ্চিত্র) সবচেয়ে বড় ওপেনিং।

জ্যাকসন এস্টেটের সরাসরি তত্ত্বাবধানে নির্মিত এই সিনেমায় ষাটের দশকে ‘জ্যাকসন ফাইভ’ ব্যান্ডের সদস্য থেকে শুরু করে তাঁর বিশ্বখ্যাত ‘কিং অফ পপ’ হয়ে ওঠার পুরো সফরটি তুলে ধরা হয়েছে। সিনেমার শুরুর দিকের চিত্রনাট্যে জ্যাকসনের বিরুদ্ধে ওঠা শিশু যৌন নিপীড়নের অভিযোগগুলোর উল্লেখ থাকলেও, ফাইনাল কাট সেগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে। এমনকি গত বছর সিনেমার কিছু অংশ নতুন করে শ্যুট করতে হয়েছে; কারণ অভিযোগকারী জর্ডান চ্যান্ডলারের সাথে জ্যাকসন এস্টেটের একটি আইনি চুক্তিতে বলা ছিল যে, কোনো সিনেমায় তাঁর (চ্যান্ডলারের) চরিত্র চিত্রায়ন করা যাবে না।

তা আপনারা কি দেখছে মাইকেল?

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.